রবিবার, ০৭ Jun ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
প্রতিনিধি আবশ্যক: অনলাইন পত্রিকা আমার সুরমা ডটকমের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ দেয়া হবে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন : ০১৭১৮-৬৮১২৮১, ০১৭৯৮-৬৭৬৩০১
সংবাদ শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষে হতাহত ২০ ঈদের দিনসহ আগামী পাঁচ দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে? জেলা ছাত্র জমিয়তের কঠোর হুশিয়ারী: শহীদ মুশতাক গাজিনগরী হত্যা মামলার ধীরগতিতে প্রশাসনের উদাসিনতা পরিলক্ষিত হচ্ছে প্রায় চারশ কোটি টাকার লেনদেনের আশাবাদ: সুনামগঞ্জে কুরবাণীর জন্য প্রস্তুত ৫৩ হাজারের বেশি দেশীয় গবাদী পশু সুনামগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহত ৫ যুক্তরাজ্যের নির্বাচনে মুসলিম স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জয়জয়কার: ১০০টিরও বেশি আসনে জয় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি: দিরাইয়ে আদিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে আহত একজনের মৃত্যু দিরাইয়ে তলিয়ে যাওয়া ধান কেটে নেয়ার অভিযোগে কৃষকদের ক্ষোভ দিরাইয়ের বাজারে অপরিপক্ব লিচু: দামও চড়া দিরাইয়ে অগ্নিকাণ্ডে অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

বৈশাখী কাজের উপকরণ চাহিদার শীর্ষে নেট জাল

amarsurma.com
বৈশাখী কাজের উপকরণ চাহিদার শীর্ষে নেট জাল

আমার সুরমা ডটকম:

বৈশাখে শুধুমাত্র ধান শুকানোর উপকরণগুলোর মধ্যে এ বছর চাহিদার শীর্ষে রয়েছে নেট জাল। এক সময় মাছ ধরা ও বেড়ার কাজে যে জাল বেশি ব্যবহার হতো, এখন ধান শুকানোর জন্য চাহিদার শীর্ষে রয়েছে। মূলত বহনে সহজ ও বাড়তি কোনো ঝামেলা না থাকায় এর চাহিদা বেড়েছে। সরেজমিন হাওরে কৃষক ও বাজারের ব্যবসায়িদের সাথে আলাপকালে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বিভিন্ন হাওরের কৃষক ও দিরাই বাজারের ব্যবসায়িদের সাথে আলাপকালে জানান, ধান শুকানোর কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন বস্তা দিয়ে তৈরি তিরপাল, বাঁশের টুকরি, নেট জাল ও বাঁশের তৈরি চাটাই সাধারণত ব্যবহার হয়ে থাকে। বিশেষ করে এ বছর শুধুমাত্র নেট জালের চাহিদা রয়েছে শীর্ষে। অনেক বড় আকারের একটি নেট জালও যে কোনো জায়গায় সহজে বহন করা যায়। ধান শুকানোর জন্য বাজারে যে ধরণের নেট জাল তৈরি হয়, সেগুলো সাধারণত ২৪ থেকে ২৫ হাতের স্কয়ার সাইজের হয়ে থাকে। এগুলো যে কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া ও বিছিয়ে দিয়ে ধান শুকানো যায়।
সচরাচর কৃষকরা হাওর কিংবা বাড়ির সামনে খলা বানিয়ে ধান শুকানোর কাজ করেন। এটি বৃষ্টি দিলে ভিজে যায়, আবার শুকানোর আগ পর্যন্ত তা ব্যবহার করা হয় না। এ থেকে পরিত্রাণের জন্য পরবর্তীতে বিভিন্ন জাতের বস্তার তৈরি তিরপালের চাহিদা বেড়ে যায়। বর্তমানে এর স্থান দখলে নিয়েছে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত নেট জাল। দিরাই বাজারের একাধিক তিরপাল ব্যবসায়ি এ প্রতিবেদককে জানান, এ বছর তিরপালের চাহিদা আগের তুলনায় কমে গেছে। তবে তারা এ কথা নির্দ্বিধায় স্বীকার করেছেন, এর কারণ সহজে বহনযোগ্য নেট জালের কারণে। সাইজ ভেদে তিরপালের মূল্য চারশ থেকে আটশ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। পাশাপাশি বাঁশের তৈরি বড় সাইজের টুকরি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা প্রতি পিছ, ছোট সাইজের টুকরি ৮০ থেকে একশ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাঁশের তৈরি ছাচ (চাটাই) বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭৫ টাকা পর্যন্ত। ব্যবসায়িরা জানান, এ বছর টুকরি, চাটাই ও তিরপালের চাহিদা অনেকটা কমে গেছে। তবে নেট জাল ব্যবসায়িরা জানান, বর্তমানে এর চাহিদা প্রচুর। ৬ হাত প্রস্থ ও একশ হাত লম্বা এক বাণ্ডিল জাল বিক্রি হচ্ছে দুই হাজার ছয়শ থেকে তিন হাজার দুইশ টাকা পর্যন্ত।

নিউজটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2017-2019 AmarSurma.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com